দেশে পাঁচটি ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। এখন এসব প্রতিষ্ঠানকে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়া হবে। পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ব্যাংকগুলো কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সভায় সভাপতিত্ব করেন।
প্রাথমিক অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান, বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংক ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক।
ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটানের উদ্যোক্তা ভুটানের ডিকে ব্যাংক। বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বিকাশের শেয়ারধারীরা। নোভা ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিওন ও স্কয়ার গ্রুপ। বুস্ট ডিজিটাল ব্যাংকের উদ্যোক্তা রবির মূল প্রতিষ্ঠান আজিয়াটা লিমিটেড।
ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৩টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আবেদন নেয়। আবেদনকারীদের মধ্যে শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর ও মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ছিল।
আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় ব্যাংকিং সক্ষমতা, উদ্যোক্তাদের অভিজ্ঞতা, মূলধন, প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, সাইবার নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণের বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়। প্রাথমিকভাবে আটটি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য বিবেচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হলেও শেষ পর্যন্ত পাঁচটিকে প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্ষদ।
ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়ে তিন বছরের বেশি সময় ধরে আলোচনা, নীতিমালা পরিবর্তন, আবেদন গ্রহণ ও যাচাই-বাছাইসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়া চলার পর এই অনুমোদন দেওয়া হলো।









