নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য আটা ও ময়দার দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। গত এক মাসে প্রতি কেজি আটার দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা এবং ময়দার দাম সর্বোচ্চ ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে বাড়তি খরচের চাপে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।

রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু দামই নয়, প্যাকেটজাত ময়দার সরবরাহেও দেখা দিয়েছে সংকট। খুচরা বিক্রেতাদের অভিযোগ, বড় কোম্পানিগুলো দাম বাড়ানোর পাশাপাশি পর্যাপ্ত সরবরাহও করছে না।

একজন খুচরা বিক্রেতা বলেন, প্রায় দুই মাস ধরে ময়দার সংকট চলছে। গত এক সপ্তাহেই একটি প্যাকেট ময়দার দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

আরেক বিক্রেতা জানান, দুই কেজি ময়দা এক মাস আগে ১২০ টাকায় কিনেছেন। তখন প্যাকেটে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ছিল ১৪০ টাকা। বর্তমানে একই পরিমাণ ময়দার গায়ে মূল্য লেখা রয়েছে ১৮০ টাকা।

ডিলারদের দাবি, গম আমদানি কমে যাওয়া এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার কথা বলে কোম্পানিগুলো ময়দার দাম বাড়াচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানান তারা।

এদিকে আটা-ময়দার দাম বাড়ায় রুটি, পরোটা, সিঙ্গারা, সমুচা, পাউরুটি, বিস্কুটসহ নিত্যদিনের বিভিন্ন খাবারের খরচও বাড়ছে। ফলে সীমিত আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

ভোক্তারা বলছেন, আটা-ময়দা তাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দাম এভাবে বাড়তে থাকলে পরিবারের দৈনন্দিন খাবারের ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়বে।

বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকট ঠেকাতে সরকারি সংস্থাগুলোর নজরদারি আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা।