শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

ইবির বৃহত্তর কুমিল্লা ছাত্রকল্যাণের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

ইবির বৃহত্তর কুমিল্লা ছাত্রকল্যাণের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

ইবি প্রতিনিধি:
- ছবি - ইন্টারনেট

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বৃহত্তর কুমিল্লা ছাত্রকল্যাণ ফোরামের উদ্যোগে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) এই অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

বৃহত্তর কুমিল্লা ছাত্রকল্যাণ ফোরামের সভাপতি সাইফুল্লাহর সভাপতিত্বে ও মো: কামরুল হাছানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক ড. আ.ব.ম ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী, অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মিজানুর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে সাইফুল্লাহ বলেন, “আমরা সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এই অনুষ্ঠানে যারা পরিশ্রম দিয়ে প্রাণবন্ত করে তুলেছে সকলকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আজকের এই নবীন বরণ অনুষ্ঠান, তাদের সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।”

সংগঠনটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ছাত্র হিসেবে তোমাদের প্রথম দায়িত্ব হলো দিনের মধ্যে সবটুকু সমর কাজে লাগানো। জীবনে বন্ধু নির্বাচনে সব সময় সচেতন থাকবে। যে ছাত্রটি পড়াশোনায়, চারিত্রিক দিক থেকে ভালো সেই ভালো। আমাদের থেকে লোকজন শিখবে কীভাবে ভালো হতে হয়, কীভাবে একজন ভালো মানুষ হতে হয়। আমাদের কি সেভাবে চলতে হবে। কুমিল্লা জেলার মানুষদের উপর সারাদেশের মানুষদের একটি ভালো ধারণা আছে, যে তারা পড়াশোনায় দিক থেকে ভালো। সুতরাং আমাদের দেশে এভাবে নিজেদেরকে প্রস্তুত করে নিতে হবে।”

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “শুরুর দিকের ব্যাচগুলোতে, বিশেষ করে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ব্যাচগুলোতে আমাদের কুমিল্লার শিক্ষার্থী ছিল অনেক অনেক। হয়তোবা যে-কোনো কারণে আমাদের এলাকা থেকে শিক্ষার্থী আসা অনেকটা কমে গেছে। ছোট পরিসরে হলেও আমরা একত্র আছি। যেহেতু এখানে প্রশাসনের দায়িত্বে আমরা আছি, সেক্ষেত্রে তোমাদের এখানকার পড়াশুনা, হলে থাকার বিষয়ে বা বিশ্ববিদ্যালয় চলাচলের বিষয়ে যদি কোনো সমস্যার সম্মুখীন হও, সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা সদাই প্রস্তুত আছি।”

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী বলেন, “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কুমিল্লা জেলার অনেক মেধাবী ছাত্র-শিক্ষক আছেন, পূর্বে এই সংখ্যা আরও বেশি ছিলো। বর্তমানে আমরা যারা কুমিল্লার আছি, আমরা অনেকটাই বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য,  ট্রেজারারসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ তিনজনের দুজনেই কুমিল্লার।

কুমিল্লার মানুষ সবসময়ই এলাকা প্রেমি। তোমরা যারা আছো আমরা তোমাদের প্রশাসক হিসেবে অতিরিক্ত কোনো সুযোগ সুবিধা দিতে পারবো না ঠিকই, কিন্তু তোমাদের পড়াশোনা, হলসহ যে-কোনো সমস্যায় সহযোগিতার জন্য আমরা প্রস্তুত।”