শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

ইবিতে বিএনসিসি কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন লে. কর্ণেল মাসুদ রায়হান

ইবিতে বিএনসিসি কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন লে. কর্ণেল মাসুদ রায়হান

ইবি প্রতিনিধি:
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) প্লাটুন পরিদর্শন করেছেন সুন্দরবন রেজিমেন্টের কমান্ডার লে. কর্নেল মাসুদ রায়হান।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিএনসিসি ক্যাডেটরা তাকে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে স্বাগত জানান।

পরিদর্শনকালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসি আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও মাদকবিরোধী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি ক্যাডেটদের খোঁজখবর নেন, তাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনসিসির কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

কর্মশালায় ইবি বিএনসিসির প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বারী, কুষ্টিয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আসলাম হোসেন, ইবি বিএনসিসির সেনা শাখার সার্জেন্ট মোসাদ্দেক হোসেন, নৌ শাখার ক্যাডেট আন্ডার অফিসার (সিইউও) ইফফাত বৃষ্টি ও মহিববুল্লাহ নোমান এবং কুষ্টিয়া সরকারি সেনার শাখার ক্যাডেট আন্ডার অফিসার (সিইউও) নিশাতসহ শতাধিক ক্যাডেট উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় ইবি বিএনসিসির প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল বারী বলেন, “লে. কর্নেল মাসুদ রায়হানের এ আগমন আমাদের ক্যাডেটদের আরও অনুপ্রাণিত করবে। পড়াশোনার পাশাপাশি সামরিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। বিএনসিসির কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সচেতন, দায়িত্বশীল ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।"

লে. কর্নেল মাসুদ রায়হান বলেন, “জেন-জি (Gen Z)-এর একটি অংশ এখনও মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সমাজের এই সমস্যা আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই নষ্ট করে না, বরং পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্যও হুমকি সৃষ্টি করে। তাই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জীবনে সফলতা অর্জনের জন্য তিনটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ— লক্ষ্য নির্ধারণ, পিতা-মাতার দোয়া এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ। একজন শিক্ষার্থী যদি এসব বিষয়কে ধারণ করতে পারে, তাহলে সে শুধু ব্যক্তিগত জীবনেই নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।”