ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের এখন পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছে পেন্টাগন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মার্কিন কংগ্রেসকে এ তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।
সূত্রগুলো জানায়, ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৩৬০ কোটি ডলার। এর সঙ্গে অতিরিক্ত জ্বালানি বাবদ আরও ১৫০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলার।
তবে এই হিসাব যুদ্ধের মোট ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয়। একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও ভবন মেরামতের খরচ এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। আইনপ্রণেতারা যে পরোক্ষ সামরিক ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব চেয়েছিলেন, পেন্টাগন কংগ্রেসকে তা-ও দেয়নি।
পেন্টাগনের দেওয়া ৪ হাজার ৫১০ কোটি ডলারের ব্যয়ের হিসাব কংগ্রেসনাল বাজেট অফিসের (সিবিও) পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি। সিবিও জানিয়েছিল, ১ আগস্ট পর্যন্ত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার হতে পারে। এর আগে জুলাইয়ে পেন্টাগন জানিয়েছিল, যুদ্ধে ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার।
সিবিও জানিয়েছে, যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন স্থাপনা মেরামতের ব্যয় তাদের হিসাবেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, মোট ব্যয়ের বড় একটি অংশ হয়েছে গোলাবারুদ কেনার পেছনে।
সিবিও আরও জানিয়েছে, ১ আগস্টের পরও যুদ্ধ চলতে থাকলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি মাসে প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় হতে পারে। যুদ্ধের তীব্রতা বাড়লে এই ব্যয় আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
এদিকে, সিবিও কংগ্রেসকে জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে। এমন এক সময়ে যুদ্ধের ব্যয় বাড়ছে, যখন মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগও বাড়ছে।





