আন্তর্জাতিক

গাজা ইস্যুতে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের ভোটে চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্র

গাজা ইস্যুতে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের ভোটে চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্র
- ছবি - ইন্টারনেট

গাজা ইস্যুতে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের ভোটে চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্র

জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গাজায় যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তা বৃদ্ধির সর্বশেষ আহ্বানের ওপর ভোটাভুটি করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের বারবার ভেটোর পরও পরিষদের অধিকাংশ সদস্যরাষ্ট্র এই প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেয়ায় ওয়াশিংটন চাপের মুখে পড়েছে।

১০টি অস্থায়ী সদস্যরাষ্ট্র আগস্টের শেষের দিকে বর্তমান খসড়া প্রস্তাবের ওপর আলোচনা শুরু করে। এর আগে, জাতিসঙ্ঘ আনুষ্ঠানিকভাবে গাজায় দুর্ভিক্ষের ঘোষণা দেয়, যা প্রায় দুই বছর ধরে ইসরাইলের অব্যাহত যুদ্ধের ফলে হয়েছে।

আগের একটি খসড়ায় প্রাথমিকভাবে সাহায্যের ক্ষেত্রে বাধা অপসারণের দাবি করা হয়েছিল। আগের ভেটোটি কাউন্সিলের অন্য ১৪ সদস্যের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। যারা গাজার বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বন্ধ করতে ইসরাইলকে চাপ দিতে তাদের স্পষ্ট অক্ষমতার জন্য ক্রমবর্ধমান হতাশা প্রকাশ করছে।

বৃহস্পতিবার ভোটের জন্য প্রস্তুত খসড়াটিকে এএফপি পর্যালোচনা করেছে। এতে সাহায্যের প্রবেশাধিকার উন্মুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সব পক্ষ ‘গাজায় অবিলম্বে, নিঃশর্ত এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও পণবন্দীদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির’ দাবি জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই একাধিকবার এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। সম্প্রতি জুন মাসে তারা তাদের মিত্র ইসরাইলকে সমর্থন করার লক্ষ্যে ভেটো দেয়।

একজন ইউরোপীয় কূটনীতিক এএফপিকে বলেছেন, সর্বশেষ প্রচেষ্টা হলো মার্কিন ভেটোর হুমকির কাছে নতি স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানানো। তিনি আরো বলেন, ‘চেষ্টা না করাই যুক্তরাষ্ট্রের কাজকে খুব সহজ করে তুলবে। কারণ তাদেরকে এর ন্যায্যতা প্রমাণ করতে হবে না এবং কাউন্সিলের ১৪ সদস্য ও বিশ্ব জনসাধারণের মুখোমুখি হতে হবে না।’

ওই কূটনীতিক বলেন, ‘এটি ফিলিস্তিনিদের খুব বেশি সাহায্য করবে না। কিন্তু অন্তত আমরা দেখাতে পারব যে আমরা চেষ্টা করছি।’

এর আগে, মঙ্গলবার প্রথমবারের মতো জাতিসঙ্ঘ-নির্ধারিত একটি আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন তাদের স্বাধীন বিশ্লেষণ দিয়েছে। ওই বিশ্লেষণে ইসরাইলকে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনিদের ‘ধ্বংস’ করার উদ্দেশ্যে গাজায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিষয়টি আগামী সপ্তাহে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠেয় বার্ষিক জাতিসঙ্ঘ শীর্ষ সম্মেলনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।

সূত্র : বাসস