আন্দোলনে মৃত্যু: দাফনের ২৯ দিন পর তোলা হল সাব্বিরের লাশ
আন্দোলনে মৃত্যু: দাফনের ২৯ দিন পর তোলা হল সাব্বিরের লাশ
লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিতে নিহত মো. সাব্বিরের লাশ দাফনের ২৯ দিন পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
মামলার ‘তদন্তের স্বার্থে’ সকালে তার লাশ কবর থেকে তোলা হয় বলে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার এসআই মোবারক হোসেন জানান।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা শহরের দক্ষিণে লক্ষ্মীপুর-টু-রামগতি সড়কের পাশে মনির উদ্দিন পাটোয়ারী জামে মসজিদের কবরস্থান থেকে লাশটি তোলা হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নির্বাহী হাকিম মজিবুর রহমান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর মডেল থানার পুলিশের এসআই মোবারক হোসেনের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত সাব্বির সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে। তিনি দালাল বাজার ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
গত ৪ অগাস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে লক্ষ্মীপুরে সাব্বিরসহ চার শিক্ষার্থী গুলিতে নিহত হন।
তার মৃত্যুর পর লাশ আনা হয় নানাবাড়ি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার (১২ নম্বর ওয়ার্ড) মনির উদ্দিন পাটোয়ারী বাড়িতে। একদিন পর তার দাফন হয় মনির উদ্দিন পাটোয়ারী জামে মসজিদের কবরস্থানে।
সাব্বিরের নিহতের ঘটনায় তার বাবা আমির হোসেন ৯১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২০০ আসামির বিরুদ্ধে গত ১০ অগাস্ট হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি আমলে নিয়ে অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম (সদর কোর্ট) বিচারক আবু নোমান কবর থেকে লাশ উত্তোলনের আদেশ দেন।
বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক সুরাইয়া জাহানের নির্দেশে তার কার্যালয়ে নির্বাহী হাকিম মজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করা হয়।
এসআই মোবারক হোসেন জানান, ময়নাতদন্তের পর ফের দাফন করা










