আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে সংঘটিত প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স বন্ধে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়ন করা হচ্ছে।আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশে সংঘটিত প্রতিটি গুমের ঘটনা তদন্ত করে বিচার কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে গুম বা এনফোর্সড ডিজঅ্যাপিয়ারেন্স বন্ধে পৃথক আইনি কাঠামো প্রণয়ন করা হচ্ছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুম বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর একটি এবং এটি মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে এ ধরনের ঘটনা বেশি ঘটে।

বাণীতে তিনি অভিযোগ করেন, পতিত সরকারের আমলে রাজনৈতিক অধিকার দমনে গুম-অপহরণের পথ বেছে নেওয়া হয়েছিল। এ সময় গোপন বন্দিশালা তৈরি করা হয়, যা জনপরিসরে ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিতি পায়।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ এবং ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করা হয়েছে। বিল দুটি আইনে পরিণত হলে ভবিষ্যতে গুম ও অপহরণের মতো অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

গুমকে শুধু একজন ব্যক্তির নিখোঁজ হওয়া নয়, বরং একটি পরিবারের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ থমকে যাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে তিনি গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের স্বজনদের প্রতি সহমর্মিতা জানান।

এবার আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘ভিকটিমস ফার্স্ট, অ্যাকশন্স নাউ’।