প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য দেবেন তিনি।
জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন প্রধানমন্ত্রী। সফরকালে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বনেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণে রোহিঙ্গা সংকট ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব গুরুত্ব পাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরার কথা রয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ওপর যে প্রভাব পড়ছে, সেই বিষয়টিও বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর ন্যায্য অর্থায়নের দাবি জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ।
তিনি বলেন, জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে গ্র্যান্টভিত্তিক একটি ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা জাতিসংঘে তুলে ধরবে বাংলাদেশ।
পরিবেশ রক্ষায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগও তুলে ধরা হবে। এর মধ্যে বৃক্ষরোপণ, খাল খনন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর মতো কার্যক্রম রয়েছে। পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর উদ্যোগের কথাও বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা হবে বলে জানান সাইমুম পারভেজ।
এদিকে জাতিসংঘের অধিবেশনের ফাঁকে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এসব বৈঠকে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।
২৩ সেপ্টেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণে একটি নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।
সফর শেষে ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।









