চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আট মাসে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নাগরিক সমাজ।

সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের প্রায় ২০ ঘণ্টা পর অপ্রতিম নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এর আগে গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীতে রামিসা নামের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগের ঘটনাও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মেখলা সরকার বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারিবারিক ও সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। আগের মতো পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও শিশুদের দেখভালের অংশীদার ছিলেন। বর্তমানে সামাজিকভাবে শিশুরা অনেক বেশি বিচ্ছিন্নভাবে বেড়ে উঠছে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে রাষ্ট্র ও সমাজ—উভয়ের দায়িত্ব রয়েছে। সমাজ ও রাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সামাজিক শক্তির কার্যকর ভূমিকা নিশ্চিত করা জরুরি।

সমাজ ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হকের মতে, এ ধরনের ঘটনায় সমাজ ও রাষ্ট্রের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। সামাজিক অবক্ষয় ঠেকাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।