স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো।
প্রায় এক যুগ পর দলীয় প্রতীক ছাড়া স্থানীয় নির্বাচন ঘিরে ১১ দলীয় ঐক্যের মধ্যে আসন ভাগাভাগি ও জোটগতভাবে ভোটে অংশ নেওয়ার আলোচনা চলছে। তবে জামায়াতে ইসলামী জোটগতভাবে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার অবস্থান জানানোয় এ নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, জোটগতভাবে নির্বাচন হলে একদিকে সাংগঠনিকভাবে কিছু সুবিধা থাকলেও অন্যদিকে দলগুলোর সাংগঠনিক দুর্বলতাও প্রকাশ পেতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় জোটের কয়েকটি দল ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে রয়েছে।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমেদ বলেন, তারা এবং এনসিপি শুরু থেকেই জোটগতভাবে নির্বাচনের পক্ষে। তবে জামায়াতের এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তাদের সঙ্গে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বৈঠক হয়নি। শেষ পর্যন্ত জামায়াতসহ বা জামায়াত ছাড়া অন্য দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা হতে পারে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তবে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্থানীয় নির্বাচন জোটগতভাবে হবে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত ১১ দলীয় ঐক্যের বৈঠকে হয়নি। প্রত্যেক দল নিজস্ব প্রার্থী নিয়ে স্বাধীনভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে।
তিনি আরও বলেন, অতীতেও জোট থাকলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াত এককভাবেই অংশ নিয়েছে।





