সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ এলাকায় ঢাকা-রংপুর লংমার্চে অংশ নিতে আসা জামায়াতের দুই নেতাকে ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে।

শনিবার দুপুরের পর যমুনা সেতুর পশ্চিম মহাসড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন আব্দুস সবুর ও নুরুন্নবী। তাঁদের মধ্যে আব্দুস সবুরকে প্রথমে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় তাঁকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

জামায়াতের অভিযোগ, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিকের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁদের ওপর হামলা চালান। হামলাকারীদের মধ্যে হাসান, আল আমিন ও পারভেজ নামে বিএনপির কর্মী ছিলেন বলেও দাবি করেছে দলটি।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়, ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের গাড়িবহর যমুনা সেতু পার হয়ে সয়দাবাদ এলাকা অতিক্রম করার পর আব্দুস সবুর জোহরের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হন। এ সময় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল ব্যক্তি তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জামায়াত আরও দাবি করেছে, সকাল থেকেই একটি পক্ষ লংমার্চের গাড়িবহরে হামলার চেষ্টা করছিল। তবে জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের প্রতিরোধের কারণে তারা সফল হয়নি। পরে গাড়িবহর এলাকা অতিক্রম করার পর লংমার্চে আসা ব্যক্তিদের ওপর বিচ্ছিন্নভাবে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান বলেন, ঘটনাটি তাঁরা শুনেছেন। পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে আহত ব্যক্তিকে দেখেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আনোয়ার হোসেনের কাছে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ছুটির দিন হওয়ায় হাসপাতালে কোনো চিকিৎসক ছিলেন না।