:
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর চাপ অব্যাহত রয়েছে। গত পাঁচ দিনে হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে ১৩০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১০৭ জন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত হাসপাতালে ১০৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামিম আহমেদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ২০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন এবং ১২ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পান। ওই দিন ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে মো. আনোয়ার মন্ডল (৫২) মারা যান। তার বাড়ি রাজশাহীর তানোর উপজেলায়। এর আগের দিন রাতে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

২০ সেপ্টেম্বর নতুন করে ৩১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন এবং ১৮ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পান। এদিন ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে ১৬ বছর বয়সী সাথী রাণীর মৃত্যু হয়। তার বাড়ি রাজশাহীর বাগমারা উপজেলায়। ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।

২১ সেপ্টেম্বর ২৬ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি এবং ২৭ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পান। এদিন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। দিন শেষে হাসপাতালে ১০৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন।

২২ সেপ্টেম্বর নতুন করে ২৯ জন রোগী ভর্তি হন এবং ২৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পান। এদিন আব্দুল করিম (৪৫) নামে এক ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জের পোলাডাঙ্গার বটতলা এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় কৃষক ছিলেন। ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, সন্দেহভাজন ডেঙ্গু মায়োকার্ডাইটিস থেকে সৃষ্ট হৃদ্‌যন্ত্রের অনিয়মিত স্পন্দনের কারণে তার আকস্মিক হৃদ্‌যন্ত্রজনিত মৃত্যু হয়।

সবশেষ ২৩ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ২৪ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ২৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এদিন নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। ফলে বর্তমানে হাসপাতালে ১০৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র শেখ শামিম আহমেদ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন এবং ২৫ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ সময়ে আব্দুল করিম নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে ১০৬ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।