পাবনায় ১০ বছরের শিশু কামরুন্নাহার কলিকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার প্রধান অভিযুক্ত মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা ও শনিবার সকালে দুই দফায় উত্তেজিত গ্রামবাসী এ হামলা চালায়।

পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের কুলুনিয়াসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের লোকজন জড়ো হয়ে মোস্তফা প্রামাণিকের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে আগে থেকেই পুলিশ মোতায়েন ছিল। তবে গ্রামবাসীর তুলনায় পুলিশের সংখ্যা কম থাকায় প্রথম দিকে হামলা ঠেকানো সম্ভব হয়নি। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ জানায়, গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় শিশু শিক্ষার্থী কামরুন্নাহার কলি। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

নিখোঁজের সাত দিন পর ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে কুলুনিয়া গ্রামে কলিদের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় শিশুটির প্রতিবেশী মোস্তফা প্রামাণিক ও তার ভাড়াটিয়া ইয়াছিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশরাফ বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে জানান, ঘটনার দিন শিশুটিকে মোস্তফার মুদি দোকানের পেছনের একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।